মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর

বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ যাদু ঘর ও মিউজিয়ামঃ মহান মুক্তিযোদ্ধের বীর সেনানী বীর শ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ  ১৯৪৩ সালের পহেলা মে ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানার আওতাধীন সালামতপুর (বর্তমানে রউফ নগর) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মুন্সী মেহেদী হোসেন এবং মাতার নাম মোছাঃ মকিদুননেছা । পিতা মসজিদের ইমামতি করতেন। মুন্সী আব্দুর রউফ ১৯৬৩ সালের ৮ মে তারিখে তৎকালীন ইষ্ট পাকিস্তান রাইফেলস বাহিনীতে সৈনিক হিসাবে যোগ দেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মুন্সী আব্দুর রউফ চট্রগ্রামের ই.পি.আর এ কর্মরত ছিলেন। যুদ্ধ শুরু হলে তার উইং এর কর্মরত সকল সৈনিক ৮ম ইষ্ট রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে। শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ কোম্পানির মেশিনগানার হিসেবে রাঙ্গমাটি-মহালছড়ি নৌপথে প্রহরারত ছিলেন। ৮ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে শত্রুপক্ষ প্রতিরক্ষা এলাকায় ঢুকে পড়ে এবং গোলাবর্ষণ শুরু করে। একমাত্র শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ নিজের মেশিনগান দিয়ে শত্রুর উপর গোলাবর্ষণ অব্যাহত রাখেন এবং বিপক্ষের  মর্টারের গোলায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন। তিনি অদম্য সাহস, কর্তব্য পরায়ণতা দৃঢ় সংকল্প ও দেশপ্রেমের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। সরকার তাকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করে।

দর্শনীয় স্থানের যাবার  উপায়ঃ ফরিদপুর জেলার মধুখালী থানা সদর হতে ১০ কিঃ মিঃ পশ্চিমে কামারখালী ইউনিয়ন ভূক্ত বীরশ্রেষ্ঠের জন্মস্থান রউফ নগর গ্রামে ১.০০ একর জমিতে বীর শ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ যাদু ঘর ও মিউজিয়াম অবস্থিত।

দর্শনীয়স্থানের আবাসন ব্যবস্থাঃ দর্শনীয় স্থানের আবাসনের কোন ব্যবস্থা নেই। তবেমধুখালী  উপজেলা সদরে ফরিদপুর চিনি কলের আবাসনের সুব্যবস্থা আছে।

দর্শনীয়স্থানের তত্ত্বাবধায়কের যোগাযোগ ঠিকানা ঃ ফরিদপুর হতে বাই রোডে ঢাকা-খুলনারোডে কানাইপুর, মাঝকান্দি হয়ে মধুখালী হতে ১০ কিঃ মিঃ পশ্চিমে কামারখালীররউফ নগর গ্রামে অবস্থিত। বাবু বিদ্যাধর মন্ডল, লাইব্রেরীয়ান, বীরশ্রেষ্ঠযাদুঘর, মোবাইল নং ০১৭২০-০৮১৩৬৫।